পোস্টগুলি

প্যাংগং লেক লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কম খরচে কাশ্মীর-লাদাখ-মানালি ভ্রমণ

ছবি
প্যাংগং লেক, লাদাখ  প্রারম্ভিকা- এটা ছিলো আমার জীবনের সবচেয়ে দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের ফসল । বিশ্ববিদ্যালয়ে ওঠার পরে থেকেই এই রুট নিয়ে জানতে পারি এবং ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয় । কিন্তু সময় এবং সাধ্যের সমন্বয় সাধন করা খুবই দুষ্কর হয়ে পড়েছিলো আমার জন্য । আল্লাহর ইচ্ছায় অবশেষে সেই কাঙ্খিত সময়টি মিলেই গেলো । গত ২৮ মে'১৯ ঢাকা থেকে রওনা দিয়ে সম্পূর্ণ রুট কাভার করে ফের ঢাকায় ফিরি ১৬ জুন'১৯ । মোট ১৯ দিনের এই সফরে আমাদের সর্বমোট খরচ হয়েছে ২০,০০০ বাংলাদেশী মুদ্রারও কিছু কম । আমাদের এক্স্যাক্ট রুট ছিলো - ঢাকা>কলকাতা>দিল্লি>জম্মু>শ্রীনগর>কার্গিল>লেহ>মানালি>দিল্লি>কলকাতা>ঢাকা  গুগল ম্যাপে আমাদের রুট  পুরোটা একটা সাইকেল আর কি । দিল্লি থেকে এক পথে গিয়ে ফের অন্য পথে দিল্লিতেই ফেরা । দিল্লি থেকে ২৭৮ কিলোমিটার দূরবর্তী হরিয়ানা প্রদেশের একটি খুব পরিচিত জায়গা হলো আম্বালা । এই সাইকেলের এতোটুকু ছিলো কমন পয়েন্ট । বাকি পথগুলোর দূরত্ব, পরিচিতি, যাত্রা সহ বিস্তারিত পাবেন আমার লেখার ভেতরে । আমাদের পরিচয়ঃ  এই ট্যুরের সদস্য ছিলাম আমরা...

পঞ্চদশ পর্বঃ প্যাংগং লেক - ২

ছবি
প্যাংগং এর পাড়ে আমরা সবাই  প্যাংগং-এ প্রথম দিনঃ বেলা আড়াইটায় বাস থেকে নামলাম সবাই । অবশেষে চলে এলাম সেই স্বপ্নের PANGONG LAKE । আমি আগেও বারবার বলেছি লাদাখের মতো এই প্যাংগং নিয়েও আমার মেজর কোন হেডেক ছিলো না । আমি গিয়েছি স্রেফ এসবের প্রতি মানুষের ক্রেজের কারণ অন্বেষণে । কিন্তু এই জায়গা যে আমার ছোট্ট পরিসরে দেখা সকল সুন্দরের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দরতম বলে বিবেচিত হবে, এমনটা আশা করিনি । বাস থেকে নামার সাথে সাথে ড্রাইভার মামা আমাদের পরবর্তী ডিরেকশন দিয়ে দিলেন । আমরা আজকে এখানে থাকবো । এখানে থেকে আগামীকাল সকাল আট টার মাঝে বাস ছেড়ে যাবে লেহ অভিমুখে । সেভাবেই সবাইকে প্রস্তুত থাকার জন্য বলে তিনি একটা নির্দিষ্ট জায়গায় বাস পার্ক করে বিদায় নিলেন । আমরা সবাই ততোক্ষণে বেশ ক্লোজ হয়ে গিয়েছি । ইংল্যান্ডের ওই বৃদ্ধ দম্পত্তি নিজেদের মতো করে কই যেনো চলে গেলেন । কিন্তু আমরা বাকি সবাই একজায়গায় বসে ডিসিশন নিলাম কি করা যায় না যায় । শুরুতেই যে হোটেল দেখলাম সেখানে ডিনার+ব্রেকফাস্ট সহ এক রাতের রুম ভাড়া জনপ্রতি ৮০০ রুপী চাইলো । আমরা নিজেরা কিছু না বলে দেখছিলাম ইউরোপিয়ানগুলো কি সিদ্ধান্ত নেয় । ত...

চতুর্দশ পর্বঃ প্যাংগং লেক - ১

ছবি
প্যাংগং এর পাড়ে আমরা দুই বন্ধু  গন্তব্য প্যাংগং লেকঃ  (০৯/০৬/১৯) পরদিন একদম সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে দুই বন্ধু চলে গেলাম লেহ বাসস্ট্যাণ্ডে ।  টিকিট কাউন্টার তখনো খোলেনি । দুই বন্ধু গিয়েই দেখি আর্জেন্টাইন এক কাপল বসে আছে সেখানে । কথায় কথায় জানতে পারলাম তারাও প্যাংগং লেক যাবে এবং বাসের জন্য অপেক্ষা করছে । কথাবার্তায় বেশ আন্তরিক মনে হলো । সেখানেই দেখলাম একটা ছোট হোটেল ছিলো । সেখানেই আমরা আমাদের ব্রেকফাস্ট সারলাম এবং কিছু এক্সট্রা খাবার কিনে নিলাম ।  লেহ বাসস্ট্যাণ্ডের বিপরীত দিকের ভিউ ব্রেকফাস্ট সেরে এসে দেখি আরেকজন মেক্সিকান এসে হাজির । আর্জেন্টাইন দুইজন আর মেক্সিকান টা বসে গল্প করছে । আমরা দুইজন জয়েন করলাম তাদের গল্পে । আর্জেন্টাইন দুইজনের নাম মাতিয়াস আর জুলিয়েট, মেক্সিকান টার নাম ছিলো ইভান । বেশ আড্ডা দিলাম । এরপরে টিকিট কাউন্টার ওপেন হলে গিয়ে নিজেদের টিকিট সংগ্রহ করলাম । ভেবেছিলাম অনেক কম্পিটিটর থাকে হয়তোবা, পরে গেলে যদি টিকিট না পাই... কিন্তু বুঝলাম আসলেও সেরকম ভীড় নাই । টিকিট নিয়ে বাসে উঠে বসলাম । আজকের বাসটাও গতদিনের সেই শ্রীনগর...